আপনার রিপোর্ট পাঠান
ক্রম 1
ইন্ট্রাগ্যাস্ট্রিক বেলুন, যা গ্যাস্ট্রিক বেলুন নামেও পরিচিত, একটি অসার্জিকাল (non-surgical) ওজন কমানোর পদ্ধতি যা মানুষের পেটের ভিতরে একটি নরম বেলুন স্থাপন করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এই অস্থায়ী (temporary) পদ্ধতি আপনাকে দ্রুত পূর্ণতার অনুভূতি দেয়, ফলে আপনি কম খাবার গ্রহণ করেন এবং ধীরে ধীরে ওজন কমাতে পারেন কোনও অস্ত্রোপচার ছাড়াই। এটি নিরাপদ, কার্যকর এবং যারা স্থূলতায় (obesity) ভুগছেন তাদের জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
গ্যাস্ট্রিক বেলুন তাদের জন্য সুপারিশ করা হয় যারা:
অতিরিক্ত ওজন নিয়ে সংগ্রাম করছেন এবং শুধুমাত্র ডায়েট ও ব্যায়ামের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাননি।
যাদের বডি মাস ইনডেক্স (BMI) 30 থেকে 40 এর মধ্যে।
অস্ত্রোপচারের আগে অসার্জিকাল (non-surgical) ওজন কমানোর বিকল্প খুঁজছেন।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা গাঁটের ব্যথার মতো স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে ওজন কমানো প্রয়োজন।
খাবারের অভ্যাস নিয়ন্ত্রণের জন্য অস্থায়ী কিন্তু কার্যকর সমাধান খুঁজছেন।
ডাক্তার আপনার স্বাস্থ্য মূল্যায়ন করবেন এবং দেখবেন আপনি এই প্রক্রিয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা।
আপনাকে কিছু পরীক্ষা করাতে হতে পারে যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আপনি এই প্রক্রিয়ার জন্য উপযুক্ত।
আপনাকে সার্জারির অন্তত 6-8 ঘণ্টা আগে থেকে খাওয়া ও পান করা বন্ধ রাখতে বলা হবে।
আপনার ডাক্তার যেভাবে নির্দেশ দেবেন, আপনাকে কিছু ওষুধ সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হতে পারে।
আপনার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিকল্পনা দেওয়া হবে যা আপনাকে প্রক্রিয়ার আগে ও পরে অনুসরণ করতে হবে।
গ্যাস্ট্রিক বেলুন স্থাপন একটি সহজ এন্ডোস্কোপিক প্রক্রিয়া:
ডাক্তার আপনার মুখ দিয়ে একটি পাতলা, নমনীয় নল (এন্ডোস্কোপ) আপনার পেটে প্রবেশ করান।
ওজন কমানোর জন্য বেলুনটি আপনার পেটে স্থাপন করা হয়।
সঠিক অবস্থানে পৌঁছানোর পর, এটি স্যালাইন (নির্বীজ লবণ পানি) বা গ্যাস দিয়ে পূরণ করা হয়।
পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র 20-30 মিনিট সময় নেয় এবং আপনি একই দিনে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন।
1. প্রক্রিয়ার আগে
আপনাকে উপবাস ও ওষুধ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হবে।
ডাক্তার নিশ্চিত করবেন যে আপনি আরামদায়ক অবস্থায় আছেন।
2. প্রক্রিয়ার সময়
বিশ্রামের জন্য হালকা অ্যানেস্থেসিয়া বা সিডেটিভ দেওয়া হবে।
পেটের ভিতরে বেলুন স্থাপন করা হবে এবং এটি পূরণ করা হবে।
প্রথম দিকে সামান্য অস্বস্তি বা বমিভাব অনুভূত হতে পারে।
3. প্রক্রিয়ার পরে
আপনাকে কয়েক ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এবং একই দিনে ছেড়ে দেওয়া হবে।
বমিভাব, গ্যাস জমা বা পেটে ব্যথার মতো কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, তবে কয়েক দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
বেলুনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য একটি ডায়েট প্ল্যান দেওয়া হবে।
আপনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত ফলোআপ নির্ধারণ করা হবে।
যদিও গ্যাস্ট্রিক বেলুন একটি নিরাপদ পদ্ধতি, তবুও কিছু সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে:
বমিভাব ও বমি (প্রথম কয়েক দিনে সাধারণ ঘটনা)।
পেটে অস্বস্তি বা ক্র্যাম্প।
বেলুন ফেটে যাওয়া বা লিক হওয়া (খুবই বিরল, তবে অপসারণের প্রয়োজন হতে পারে)।
অ্যাসিডিটি বা হার্টবার্ন।
অন্ত্রের বাধা (অত্যন্ত বিরল)।
ডাক্তারের পরামর্শ ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে এই ঝুঁকিগুলো কমানো সম্ভব।
অনেক রোগী 6 মাসের মধ্যে 10-15% ওজন কমাতে সক্ষম হন।
গ্যাস্ট্রিক বেলুন ব্যবহারের আগে ও পরে স্বাস্থ্যের উন্নতি দেখা যায়।
রোগীরা বেশি শক্তি অনুভব করেন এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।
6 মাস পর বেলুনটি সরানো হয় এবং সুস্থ জীবনযাত্রা বজায় রাখলে দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল নিশ্চিত করা যায়।
স্বচ্ছ - পেশাদার - ঝামেলা মুক্ত
আপনার রিপোর্ট পাঠান
ক্রম 1
চিকিৎসা পরামর্শ নিন
ক্রম 2
প্রাক-আগমন ব্যবস্থায় সহায়তা পান
ক্রম 3
পরিবহন এবং আবাসন ব্যবস্থাপনায় সহায়তা
ক্রম 4
চিকিৎসা জুড়ে সর্বত্র সহায়তা
ক্রম 5
ফিরে যাওয়ার পর ফলোআপ
ক্রম 6
রেজিমেন হেলথকেয়ার হল শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকদের কেন্দ্র এবং উৎস, যারা তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার জন্য সুপরিচিত

বিশ্বজুড়ে রোগীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা